5e385b6ced3862

আচ্ছা ধরুন, আপনার একটা সিনেমা দেখে খুব ভাল লাগল। আপনি আপনার বন্ধুকে বললেন সেই সিনেমাটি দেখতে। কিন্তু, কোন কারণে আপনার বন্ধুটির সেই সিনেমাটা ভাল লাগল না। শুরু হয়ে গেল তুমুল ঝগড়া! “না তুই মুভিটার ফিলিংসটাই নিতে পারিস নাই!” “ না এইসব ফালতু মুভির ফিলিংস আমার মাথায় আসে না!” ইত্যাদি ইত্যাদিঢাকায় এটা এখন খুব পরিচিত একটা দৃশ্য। ক্যাম্পাসে, গাড়িতে, অফিসে এমনকি আপনার নিজের বাসায়ও যদি কোন সিনেমাপ্রেমী থেকে থাকে তাহলেই হয়েছে। সিনেমা নিয়ে তুমুল আলোচনা, তুমুল তর্কাতর্কি! যেন এটাই তাদের জীবনের সবকিছু! জেনে অবাক লাগতে পারে কিন্তু আপনি ফেসবুকে সিনেমা গ্রুপ নিয়ে সার্চ করলে দেখতে পাবেন সিনেমা নিয়ে প্রায় হাজার হাজার গ্রুপ তৈরি হয়েছে। সেখানে সবাই কমেন্টে যেভাবে মারামারি বা গালাগালি করে,তা আপনি কমেন্ট চেক করতে করতে ল্যাপটপের সামনে বসে নিজের অজান্তেই বলে বসতে পারেন “এরা কি পাগল?” হ্যা এরা পাগল, এরা অন্য মাত্রার পাগল। যাদেরকে আমরা বলি সিনেমাপ্রেমী।

বাংলাদেশে এই সিনেমাপ্রেমীর সংখ্যা এখন কোটির ঘরে। সিনেমা নিয়ে মতবিরোধ হলেই শুরু হয়ে যায় এদের ঝগড়া! প্রশ্ন করতে পারেন কেন হয় এই ঝগড়া? উত্তর খুবই সাধারণ ব্যাপার! ধরুন আপনার বেগুন ভর্তা ভাল লাগে, জরুরী না যে আপনার বন্ধুর সেটা ভাল লাগতে হবে। তার সেটা খারাপ লাগতেই পারে। সব জিনিস সবাই খাবে না। সিনেমার ক্ষেত্রেও তাই।

সিনেমা দেখা এখন ঢালিউড,বলিউড বা হলিউডের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। প্রযুক্তির কারণের আমরা বিদেশী ভাষার অনেক সিনেমাই দেখতে পারছি। এই এত এত সিনেমা তৈরি হচ্ছে, সব সিনেমা একই ধরনের হবে ব্যাপারটা এরকম না। কারন ওই একটাই! সবাই বেগুন ভর্তা সমান আগ্রহে নেবে না। দর্শকের ভিন্নতার কারণেই সিনেমার ভিন্নতা এসেছে। দর্শকের চাহিদার কথা চিন্তা করেই সিনেমা বানানো হয়।

ইন্টারনেট মুভি ডাটাবেজ অর্থাৎ আইএমডিবি তে সার্চ করলে জানা যায় পৃথিবীতে এখন পর্যন্ত মুভি বানানোর সংখ্যা ৪লক্ষ ৬৭হাজার ৫২৩টি। (১৮৭৪-২০২৫) সিনেমা শুধুমাত্রই ব্যবসা আর চাহিদার উপর নির্ভরশীল। আর যদি বলেন ভিন্নতা, ভিন্নতা কি করে? একটা সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে বোঝা যায়, সিনেমার ভিন্নতা সিনেমার অর্থনৈতিক শর্তগুলো পূরণে সহায়তা করে।

যদি ঘরানার চলচ্চিত্র বিশেষ ধরনের চলচ্চিত্র হয়, তাহলে বুঝতে হবে যে এই ধরনের চলচ্চিত্রের জন্য বিশেষ ধরনের প্রয়োজন স্ক্রিপ্ট, অভিনয়, স্থান, প্রপস এবং পোষাক, এবং প্রায়ই প্রকৃত শুটিং এবং সম্পাদনার জন্য অবশ্যই সরঞ্জাম বিশেষজ্ঞ এবং উৎপাদন কর্মী। ঘরানা মূলত সিনেমার প্রমিতকরণ, একটি শিল্প চর্চা। চলচ্চিত্র শিল্পের মূল লক্ষ্য সফল সূত্র সনাক্তকরণ এবং সেটা রিসাইকেল করা, হোকবা সেটা বিভিন্ন গুদামে। বিভিন্ন ধরনের সিনেমার পরিসরকে ভাগ করে এই সিনেমার ঘরানা।

বাজার গবেষণা এবং দর্শক প্রবণতা নজরদারি বক্স অফিসে কি ধরনের সিনেমা ভাল করার সম্ভাবনা তৈরি করে তা সম্পর্কে সিনেমার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাই অবগত। একটা ভিন্ন ঘরানার সিনেমা দেখার জন্য অবশ্যই ভিন্ন স্বাদের সিনেমা উপভোগ করা দর্শক সিনেমা হলে ভিড় করবেন। নতুন নতুন ঘরানা তৈরির কারণে উপভোগ করা দর্শকও সেই হারে বেড়ে যাচ্ছে। এটা নিতান্তই একটা ব্যবসায়িক পদ্ধতি। আমরা শুধু তালে তাল দিচ্ছি, এই যা।

Source: theplaylist.net

আমাদের বিনোদনের মাধ্যমকে আরো আনন্দদায়ক আর আরো উপভোগ্য করতে আমরা এতটুকু তো করতেই পারি। যদি আমরা মেনে নিই যে, ঘরানার চলচ্চিত্র দেখার জন্য দর্শকদের ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু আকর্ষণ রয়েছে, তাহলে সময়ের সাথে সাথে এই আকর্ষণকে কিভাবে বজায় রাখা হয়? আনন্দ অনেক সময় অর্জিত হয় আমাদের চাওয়া এবং ঘরানার চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে, একজনের প্রত্যাশা পূরণের মাধ্যমে আনন্দ লাভ হয় বা আমরা বলতে পারি একজন বিনোদিত হতে পেরেছে।

আমাদের উপমহাদেশের দর্শকের কথা যদি বিবেচনা করি তাহলে বলতে হবে আমরা এক সময় রোম্যান্টিক সিনেমা ভীষণ পছন্দ করতাম, এখনও যে করি না তা নয়। কিন্তু এক সময় রোম্যান্টিক সিনেমার দর্শক একটু বেশীই ছিল সে আমরা বলিউডের স্বজন (১৯৯১) এর কথা বলি  না কেন বা বাংলাদেশের কেয়ামত থেকে কেয়ামত (১৯৯৩)। এই সিনেমা গুলোর কথা বললে এখনও অনেকের চোখ জ্বলজ্বল করবে। আর যদি ডিডিএলজে ( দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে) এর কথা আসে, সেক্ষেত্রে কথাই নেই। দিল্লীর একটি সিনেমা হলে এখনো এই সিনেমার একটা করে শো রাখা হয়।

কালের পরিবর্তনে যেহেতু চাহিদার মাত্রাটা বৃদ্ধি পেয়েছে, ঘরানার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। সেহেতু সিনেমার পছন্দের তালিকাটা একটু হলেও পরিবর্তন হবে। তবে কিছু কিছু সিনেমা এমনও আছে যে রিলিজের সময় অত সাফল্য অর্জন করতে না পারলেও পরবর্তীকালে তা ক্লাসিক সিনেমা হিসেবে সম্মান বা গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে।হলিউড সিনেমা দি মুক্তির সময় অত ব্যবসায়িক সাফল্য অর্জন করতে না পারলেও পরবর্তীকালে তা “মাস্টারপিস” হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।আইএমডিবিতে সর্বকালের সেরা সিনেমা হিসেবে এর নাম ১ নাম্বারে শোভা পাচ্ছে এখন পর্যন্ত।

শশাঙ্ক রিডেম্পশান (১৯৯৪); Source: Youtube

এমন ঘটনা ঘটেছে ফাইট ক্লাব (১৯৯৯) এর ক্ষেত্রেও। ওপেন-এন্ডিং সিনেমার কথা বলতে গেলে সবার আগে এই ফাইট ক্লাবের কথাই উঠে আসবে। এই সিনেমার শেষ দৃশ্য নিয়ে তর্কাতর্কি বা মতবিরোধের আজ পর্যন্ত কোন কুল কিনারা হয়নি।

ফাইট ক্লাব (১৯৯৯); Source: Fox Movies

এ ব্যাপারে পিছিয়ে নেই বলিউডও। নো স্মোকিং(২০০৭) বলিউডের অন্যতম ডিজাস্টার একটি সিনেমা। কিন্তু এই সিনেমার দর্শকপ্রিয়তা এখন বলতে গেলে প্রায় আকাশচুম্বী।

সবাই আবার এই ধরনের ছবি পছন্দ করবে তেমন নয়। দি শশাঙ্ক রিডেম্পশান এর কথাই ধরুন না, আইএমডিবিতে যেখানে লাখ লাখ মানুষ একে দশে দশ দিয়েছে, তেমনি হাজার হাজার মানুষ একে দশে এক দিয়েছে। ভাবুন অবস্থাটা! এ অবস্থা শুধু ড্রামা বা থ্রীলার সিনেমার ক্ষেত্রে তা নয়।

২০০৮ সাল থেকে সিনেমা জগতে শুরু হয়েছে আরেক ঝড়। তার নাম মারভেল বা সাইফাই সিনেমা লাভাররা যাকে এমসিইউ (মারভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্স) মুভি বলে থাকেন। আইরনম্যান (২০০৮) দিয়ে শুরু হয়েছিল সেই ঝড়! ছবিটি শুধু ব্যবসায়িক সাফল্যই অর্জন করেনি, সাইফাই সিনেমা জগতে তৈরি করেছিল এক নতুন মাত্রা। মজার ব্যাপার হচ্ছে এমসিইউ শুধু কোন নির্দিষ্ট শ্রেণীর দর্শককে টানে নি, টেনেছে সকল বয়সের সকল দর্শকদের। ছোট বাচ্চা থেকে শুরু করে প্রাপ্ত বয়স্ক পর্যন্ত সবাই পছন্দ করেছে এই সিনেমাগুলো। আইরনম্যান এর সাফল্যের পর তো আর কথাই নেই, একে একে আইরনম্যান ২ (২০১০), থর (২০১১), ক্যাপ্টেন আমেরিকা (২০১১), এ্যাভেঞ্জার্স সিরিজ (২০১২-) ইত্যাদি ইত্যাদি। এমসিইউ এর এখন পর্যন্ত মুক্তি পেয়েছে ২০টি সিনেমা। সবগুলোই বক্স অফিসে তুমুল জনপ্রিয়তা লাভ করেছে, লাভ করেছে একটা বিরাট ফ্যানবেজ। শুধু ব্যবসায়িক দিক দিয়ে নয়, এমসিইউ এর ব্ল্যাক প্যান্থার (২০১৮) তো ভাল প্রোডাকশন ডিসাইন ছাড়াও আরও দুটো ক্যাটাগরির জন্য সম্মাননা পেয়েছে অস্কারেও। সুতরাং বলা যেতেই পারে শুধু ব্যবসা নয় সমালোচকদের মনও কেড়ে নিতে সক্ষম হয়েছে এমসিইউ এর সিনেমাগুলো।

Source: screenrant.com

এত কিছুর পরও অনেকেরই এই ফ্যান্টাসি সিনেমা একদমই ভাল লাগে না। তাদের মতে আজগুবি জিনিস দেখার মধ্যে তারা কোন মজা বা আবেগ খুজে পান না আর এই সব কথা যদি কোন এমসিইউ লাভারদের কানে আসে তাহলেই যথারীতি! শুরু হয়ে যাবে ঝগড়া। কিন্তু আপনি কি তাদেরকে দোষ দিতে পারবেন? না কারণ একটা বিশাল পরিমানের সিনেমাপ্রেমীরা যখন এমসিইউ এর সিনেমা ভালবাসেন, সেখানে অল্প পরিমানের মানুষ স্রোতে গা নাও ভাসাতে পারেন।

আবার অনেকে এমসিইউ হয়ত ভালবাসেন না, কিন্তু অন্যান্য সাই ফাই সিনেমা ঠিকই পছন্দ করেন। তাদের জন্যই হয়ত ২০০১: দি স্পেস অডিসি (১৯৬৮), ইন্সেপশন (২০১০), গ্র্যাভিটি (২০১২) বা ইন্টারস্টেলার (২০১৪) সিনেমাগুলো পেয়েছে কালজয়ী সিনেমার খেতাব। পছন্দের এই রকমফের হরর সিনেমার ক্ষেত্রে আবার কম।

হরর সিনেমা এখন পর্যন্ত যতগুলো বিখ্যাত হয়েছে তারমধ্যে প্রায় সবগুলোই সব ধরনের হরর দর্শকদের কাছে প্রশংসিত হয়েছে। সেক্ষেত্রে নিঃসন্দেহে সবার আগে নাম থাকবে শাইনিং (১৯৮০) আর দি এক্সোরসিস্ট (১৯৭৩) এর নাম। শাইনিং শুধু হরর ঘরানায় ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে তা নয়, যোগ করেছে নতুন ফ্লেভারও। দি এক্সোরসিস্ট তো দুটো বিভাগে পেয়েছিল অস্কারও। শাইনিং এর পর খুব বেশি হরর সিনেমা অত গ্রহনযোগ্যতা পায় নি, কিন্তু তার প্রায় ২ যুগ পরই যেন শুরু হয় হরর সিনেমার জন্য এক মহা স্বর্ণ যুগ! ২০০৪ সালে মুক্তি পেল “স” সিনেমাটি। মুক্তি পাওয়ার পর যে কি হয়েছিল সেটা বোধ করি সবারই জানা। এমন কোন দর্শক খুজে পাওয়া যায়নি যারা “স” দেখে ভয় পায়নি। একে একে মুক্তি পেল “স” সিরিজের সাতটি সিনেমা (২০০৪-২০১০) সাতটি সিনেমাই সেইরকম ভয়াবহ তো হয়েছিলই আর সেই সাথে তুমুল দর্শকপ্রিয়তা লাভ করেছিল।

এ থেকেই যেন শুরু হরর সিনেমার নতুন অধ্যায়। একে একে মুক্তি পেল ইনসিডিয়াস (২০১০), কনজিউরিং(২০১৩),আইটি (২০১৭)। বক্স অফিসে ব্যবসায়িক সাফল্য ছাড়াও সমালোচকদের কাছেও সিনেমাগুলো প্রশংসিত হয়েছে। ইনসিডিয়াসের পরবর্তি পর্ব গুলো অত প্রশংসা না পেলেও কনজিউরিং আর আইটি সেদিক দিয়ে উতরে গেছে। ২০১৯ সালে নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে শাইনিং এর সিকুয়েল ডক্টর স্লিপ মুভিটি। শাইনিং এর মত খুব বেশি ব্যবসা করতে না পারলেও প্রশংসা ঠিকই পেয়েছে।

হরর সিনেমার এই দর্শকপ্রিয়তা শুধু হলিউডেই নয়, তৈরি হয়েছে বলিউডেও। রাজ সিরিজ (২০০১-২০১৬) সিনেমাগুলোর সব পর্ব বক্স অফিস কাঁপাতে না পারলেও হরর সিনেমা লাভাররা এই মুভিগুলোকে তাদের ওয়াচলিস্টে রাখবেনই। শুধু রাজ সিরিজ নয়,২০১৮তে মুক্তি পাওয়া স্ত্রী মুভিটি তো সকল রেকর্ডই ভেঙ্গে ফেলেছিল বক্স অফিসে। ১২৩ কোটি রুপীর মত আয় করে একেবারে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল সবাইকে।

কমেডি মুভির ক্ষেত্রেও একই অবস্থা! বলিউডে কমেডি সিনেমার কথা উঠলে সবার আগে আসবে আন্দাজ আপনা আপনা (১৯৯৪) মুভিটির কথা। ক্লাসিক কমেডি বলতে যা বুঝানো হয় এই মুভিটি যেন তাই। বক্স অফিসে ফ্লপ হলেও এই মুভির জনপ্রিয়তা এখনকার সিনেমাপ্রেমীদের মধ্যেও আপনি  খুজে পাবেন। আন্দাজ আপনা আপনা ছাড়াও রয়েছে নো এন্ট্রি (২০০৫) পার্টনার (২০০৬), জুরুয়া ২ (২০১৭), মাস্তি সিরিজ (২০০৫-২০১৬), ধামাল সিরিজ, গোলমাল সিরিজ ইত্যাদি। বক্স অফিসে ব্যাপক সাফল্য পাওয়া ছাড়াও এই সব মুভির জন্য বেশ বড় ফ্যানবেজ রয়েছে।

হলিউডও এ ব্যাপারে পিছিয়ে নেই। দা বিগ লিবোওস্কি (১৯৯৮), ব্রাইড’স মেইড (২০১১), এ্যাংকরম্যান (২০০৪), ডিউ ডেট (২০১০) বইলে শেষ করা যাবে না। এছাড়া আছে হ্যাংগওভার সিরিজ (২০০৯-২০১৩)। এইসব মুভি আর যাই হোক হাসতে হাসতে আপনার পেটে খিল ধরিয়ে দেওার জন্য যথেষ্ট। এত কিছু পরও অনেকের কাছে এগুলো বস্তাপচা! হ্যা এইসব বিখ্যাত মুভিগুলো এদের কাছে বস্তাপচা। আবার হয়ত এদের কাছেই শাইনিং এর মত মুভি ভাল, শশাঙ্ক রিডেম্পশানের মত মুভি এরা পছন্দ করেন। এটাই স্বাভাবিক, এদের কারনেই মুভির মাঝে ঘরানা শব্দটা এসেছে। এদের কারনেই মুভির মধ্যে বৈচিত্র্য এসেছে। আমাদের এই পৃথিবীটাতে যদি বৈচিত্র্য না থাকত, তাহলে এই পৃথিবী কি এত সুন্দর থাকত? সিনেমার ক্ষেত্রেও তাই। সিনেমার বৈচিত্র্যেই সিনেমার সৌন্দর্য। অতএব এই আশা নিয়েই শেষ করতে চাই, সিনেমা দেখার সময় আমরা যেন সবাই সেটা মনে রাখতে পারি।  

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *