5e2c48d23fca4

কিছুদিন আগেও মানুষ শুধুমাত্র চাকরির পিছনে হন্যে হয়ে ঘুরত। আর তাই লেখা-পড়া করত শুধুমাত্র একটা ভাল চাকরির আশায়। অধিক পুঁজি এবং অনিশ্চিত আয়ের জন্য পড়ালেখা শেষ হওয়ার পর‍ই মানুষের একমাত্র কাজ ছিল চাকরি করা, আর তা যদি হয় সরকারি চাকরি তাহলে সোনায় সোহাগা। কিন্তু এই ধারনার পরিবর্তন ঘটতে শুরু করে, যখন ব্যবসার মাধ্যমে মানুষ তার ভাগ্যের চাকা ঘোরাতে সক্ষম হয়। 

বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশে সরকারের মোট আয়ের একটা বড় অংশ আসে ব্যবসা থেকে। ছেলে-মেয়ে উভয়কেই সমান হিসেবে গণ্য করা হয়। যদিও ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা খুব কমই ব্যবসা কে পেশা হিসবে গ্রহন করেছে। তারপরও বর্তমানে মেয়েরাও ঘরে বসে না থেকে নিজেরা স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করছে। নারী-পুরুষ উভয়ই অবদান রাখছেন দেশের উন্নয়নে, নিজেদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির সাথে সাথে অন্যের কর্মসংস্থানেরও ব্যবস্থা করছে।

অনেক ধরনের ব্যবসার মধ্যে বর্তমানে পার্লার ব্যবসা জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বর্তমানে মেয়েরা সৌন্দর্য বিষয়ক ব্যাপারে যথেষ্ট সচেতন, এছাড়াও বিয়ের দিনটিতে নিজেদেরকে আরও বেশি আকর্ষণীও করে তোলার ব্যাপারেও এখনকার মেয়েরা যথেষ্ট সচেতন। এমনকি এখন ছেলেদের জন্যও রয়েছে পার্লার।  তাই বর্তমানে পার্লার ব্যবসা যথেষ্ট পরিমানে সাড়া ফেলতে সক্ষম হয়েছে।

পার্লার ব্যবসার মাধ্যমে যেসব উদ্যোক্তারা নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছেন তারা হলেনঃ 

কানিজ আলমাস খান: 

শুরুটা মোটেও সহজসাধ্য ছিলনা, কেননা যে সময়টায় তিনি কাজ শুরু করেছিলেন সে সময় এই পেশাকে সম্মানজনক পেশা হিসেবে গণ্য করা হতনা। নিজে কিছু করার তাগিদ অনুভব করতে থাকেন, কিন্তু চাকরির প্রতি তার ছিল অনীহা। তিনি পড়ালেখা শেষ করেন ইডেন কলেজ থেকে, তারপর পরিবারের পছন্দে করেন বিয়ে। বিয়ের আগেই ৯০ দশকের অন্যতম সেরা মেকাপ আর্টিস্ট জেরিন  আজগরের কাছ থেকে তিন মাসের রূপচর্চা বিষয়ক প্রশিক্ষন গ্রহন করেছিলেন।কাজ শুরুর আগে কলকাতা, মুম্বাই, দিল্লি,পাকিস্থান,চীন থেকে রূপচর্চা বিষয়ক প্রশিক্ষন গ্রহন করেন। রূপবিশেষজ্ঞ কানিজ আলমাস খান ১৯৮৯ সালে মাত্র ৫ জন কর্মী নিয়ে শুরু করেন গ্ল্যামার নামের একটি পার্লার। সেসময় এটি কোন সামাজিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত পেশা ছিলনা। কিন্তু দূরদৃষ্টি সম্পন্ন সফল এই নারী উদ্যোক্তা বুঝতে পারেন দিনে দিনে মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধির সাথে সাথে এই পেশার প্রসার ঘটবে। সময়ের সাথে সাথে মানুষের সচেতনতা যেমন বেড়েছে তেমন বেড়েছে চাহিদা। আর তাই পরে তিনি ধানমণ্ডিতে দিলেন আর ও একটি পার্লার। আরও বড় পরিসরে কাজ করার জন্য পর্যাপ্ত পরিমান মূলধপানের সংকটের নিরসনের জন্য নিলেন ব্যাংক ঋণ এবং নারী কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিতে শুরু করলেন। গ্রাহক আস্থা অর্জন এবং চাহিদা বেড়ে যাওয়ার দরুন ১৯৯৬ সালে রূপবিশেষজ্ঞ ফারজানা শাকিলের সঙ্গে প্রতিষ্ঠা করেন পারসোনা। কালক্রমে এর পরিধি এবং ব্যাপকতা বেড়েছে, বর্তমানে ঢাকাতে পারসোনার শাখা রয়েছে ৯টি এছাড়াও চট্টগ্রাম এবং সিলেটেও পারসোনার শাখা রয়েছে ।  

কানিজ আলমাস খান; Image Source : groundreport.com

আফরোজা পারভিনঃ

সৌন্দর্য বিশেষজ্ঞ আফরোজা পারভিনের ছোট বেলা থেকেই ছিল সাজসজ্জার প্রতি প্রবল আগ্রহ। বাবা মার ইচ্ছেতে প্রথম ভর্তি হন কম্পিউটার গ্রাফিক্সে। কিন্তু সস্তি পাচ্ছিলেন না কিছুতেই, কেননা তার মন তাকে তাগিদ দিচ্ছিল তার মধ্যকার শিল্পীসত্তাকে জাগিয়ে তোলার।তিনি বিশ্বাস করতেন এ পেশার জন্য ন্যূনতম জ্ঞান থাকলেই চলবেনা, দরকার পড়াশুনা এবং এর চর্চা। আর তাই তিনি মনের ইচ্ছা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে চলে গেলেন দেশের বাইরে। ভারতের ব্যাঙ্গালোর থেকে মেকাপের উপর প্রশিক্ষন নিয়ে ফিরে আসেন দেশে। দেশে ফিরে এসে তিনি শুরু করেন সেলিব্রেটিদের নিয়ে বিউটিফিকেশন এর কাজ এবং ফ্যাশন হাউস এর ফটোশুটের সময় সেলিব্রেটিদের মেকাপের কাজ। এরপর ২০০৯ সালে তিনি রেড বিউটি সেলুন নামে একটি পার্লার প্রতিষ্ঠা করেন।  রুপবিশেষজ্ঞ আফরোজা পারভিনই বাংলাদেশে নো মেকাপ লুকের ধারা আনেন।দেশের অন্যান্য পার্লারের সাথে তার পার্লারের স্বতন্ত্রতা হল, অনন্যাও পার্লার এর মত এখানে বেশি মেকাপ করা হয়না,মানুষের ব্যক্তিত্ব, গায়ের রঙ বজায় রেখে মেকাপ করা হয়,যেখানে অন্যান্য বিউটি পার্লার গুলোতে মেকাপ করে মানুষের লুক সম্পূর্ণ পরিবর্তন করে দেওয়া হয়। আর  তার এই স্বতন্ত্রতার জন্যই বর্তমানে তিনি একজন সফল উদ্যোক্তা।

আফরোজা পারভিন; Image Source : bangladeshmonitor.com.bd

জাহিদ খান:

জাহিদ খান বর্তমানে বাংলদেশের একজন স্বনামধন্য মেকাপ আর্টিস্ট। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশুনা শেষ করার পর গতানুগতিক প্রথা অবলম্বন করে চাকরির পিছনে না ছুটে নিজের ছোটবেলার স্বপ্ন পুরনের জন্য শুরু করেন নিরলস প্রচেষ্টা। ছোট বেলা থেকেই বউ সাজানোর ব্যাপারে ছিল ভীষণ আগ্রহ। সেই আগ্রহ থেকেই মূলত মেকাপ আর্টিস্ট হওয়া। আর সেজন্যই তিনি পড়াশুনা শেষ করার পর চাকরি না করে, খোজ শুরু করেন তার স্বপ্নের পিছনে। জাহিদ খান ব্রাইডাল মেকওভার এর প্রতিষ্ঠাতা তিনি। তার পার্লার মুলত ব্রাইডাল মেকওভারের জন্য বিখ্যাত। কারন শুধু মাত্র মেকওভার না, ব্রাইডদের শাড়ি, লেহেঙ্গা, গহনা এসব জিনিসও তার পার্লার থেকে ঠিক করে দেয়া হয়। মেকওভার ছাড়াও বাড়তি এসব সুবিধার জন্য জাহিদ খান ব্রাইডাল মেকওভার এক অনন্য পর্যায়ে পৌছতে সক্ষম হয়েছে।

জাহিদ খান; Image Source : Facebook

আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও পার্লার ব্যবসার মাধ্যমে নিজের ভাগ্য পরিবর্তন করে, সফলতার উচ্চ শিখরে পৌছুতে পেরেছেন এমন মানুষের সংখ্যা কম নয়। 

আনু কৌশিক:

ভারতের জনপ্রিয় এই মেকাপ আর্টিস্ট বেড়ে ওঠেন দিল্লিতে এবং পলিটিকাল সায়েন্স অনার্সে ডিগ্রি অর্জন করেন। মাত্র ১৬ বছর বয়সেই তিনি বুঝতে পারেন মেকাপের ব্যাপারে তার অনুরাগের বিষয়ে, যখন তিনি একটি সেলুন এ কাজ করতেন। মেকাপ করার পর চেহারায় যে পরিবর্তন আসে,মেকাপের মাধ্যমে চেহারার খুত ঢেকে দিয়ে সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলার ব্যাপারটিতে তিনি মুগ্ধ হয়েছিলেন। তখনই সিধান্ত নিয়েছিলেন তিনি মেকাপ আর্টিস্ট হবেন।কঠোর পরিশ্রম,উৎসর্গ এবং উৎসাহ নিয়ে কাজ করলে অসম্ভব কে যে সম্ভব করা যায় তা তিনি প্রমান করেছেন। আনু কৌশিক তার নিজের মেকাপ ষ্টুডিও দেন যার নাম “আনু কৌশিক ষ্টুডিও”। মেকাপে সৃজনশীলতার জন্য খ্যাতি অর্জন করেছেন তিনি। তার স্বকীয়তা হল চুল এবং চোখের সাজের জন্য। সাধারন মেয়েকে মেকাপের মাধ্যমে অসাধারন ভাবে সাজিয়ে তুলতে ভালবাসেন তিনি। তার পার্লার এ শীর্ষ মডেল, অভিনেত্রী, সমাজের প্রভাবশালী মহিলারা যান। পার্লার ব্যবসার মাধ্যমে তিনি হয়ে উঠেছেন একজন সফল উদ্যোক্তা। 

আনু কৌশিক; Image Source : weddingplz.com

চাঁদনী সিংঃ  

দিল্লির এই মেকাপ আর্টিস্ট ভারি মেকাপ পছন্দ করেননা। তিনি পছন্দ করেন হালকা, সতেজ মেকাপ যা কিনা বাজেট বান্ধব। দিল্লির এই মেকাপ আর্টিস্ট চাকরির পিছনে না ঘুরে মেকাপের উপর বিভিন্ন প্রশিক্ষণ নেন। এর পর দেন নিজের একটি মেকাপ ষ্টুডিও। তার মেকাপের বিশেষত্বটা হল তিনি মেকাপের ন্যাচারাল বেস দেন। ব্রাইডাল মেকাপের জন্য তিনি অত্যন্ত বিখ্যাত। বর্তমানে তিনি ইন্ডিয়ার সেরা ১০জন মেকাপ আর্টিস্টদের মধ্যে একজন। 

চাঁদনী সিং; Image Source : dolidiariesblog.wordpress.com

হলিউডে মেকাপ আর্টিস্টদের দেওয়া হয় অনেক সম্মান, অন্যান্য পেশার চেয়ে তাদের আয় অনেক বেশি। তাদের অনুসরন করেন কোটি কোটি মানুষ। হলিউডের প্রভাবশালী কয়েকজন মেকাপ আর্টিস্ট হলেনঃ  

জেফ্রি স্টার :

জেফরি স্টার একজন আমেরিকান মেকাপ আর্টিস্ট। তিনি শুধুমাত্র মেকাপ আর্টিস্টই নন একাধারে তিনি উদ্যোক্তা, গায়িকা, মডেল এবং ইন্টারনেট সেলিব্রিটি। ২০১৪ সালের নভেম্বর মাসে তিনি জেফরি স্টার কসমেটিকস ব্রান্ডটি প্রতিষ্ঠা করেন, যার ব্যাপারে তিনি তার ইউটিউব চ্যানেলে প্রচার করেন। ইউটিউবে তিনি তার নিজের মেকাপ ব্রান্ড দিয়ে মেকাপ করে দেখান। ২০১৮ সালে ফোর্বস অনুসারে তিনি তার ইউটিউব চ্যানেল থেকে আয় করেন ১৮ মিলিয়ন ডলার। 

Photo by: jeffreestar/Youtube

নিক্কি দে জাগারঃ

নিক্কি দে জাগার তিনি তার ইউটিউব চ্যানেল “নিককি টিউটোরিয়ালস” নাম দ্বারা বেশি পরিচিত। তিনি একজন ডাচ মেকআপ আর্টিস্ট এবং বিউটি ব্লগার। ২০০৮ সালে যখন তার বয়স মাত্র ১৪ তখন ইউটিউবে মেকাপ ভিডিও করা শুরু করেন। এর ২ বছর পর তিনি আমস্টারডামের বি একাডেমিতে মেকআপ কোর্সওয়ার্কে ভর্তি হন। ২০১১ সাল থেকে প্রোফেসনাল মেকাপ আর্টিস্ট হিসেবে কাজ শুরু করেন। ২০১৫ সালে ইউটিউবে তার একটি মেকাপ ভিডিও ভাইরাল হয় যার নাম “দ্য পাওয়ার অফ মেকআপ”, এর পরে তিনি অনলাইনে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। ২০১৭ সালে ফোর্বস ম্যাগাজিন বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালীদের তালিকা তৈরি করে সেখানে তিনি সেরা দশের মধ্যে স্থান দখল করে নেন।  

NEW YORK – SEPTEMBER 11: Nikkie de Jager attends the Marc Jacobs Spring 2020 Runway Show at Park Avenue Armory on September 11, 2019 in New York City. (Photo by Jamie McCarthy/Getty Images for Marc Jacobs)

মারিও দিদিভানোভিকঃ

মারিও দিদিভানোভিকের ছোট বেলা থেকেই স্বপ্ন ছিল মেকাপ আর্টিস্ট হওয়ার। তার ব্যাপারে সমকামী হওয়ার কিছু গুজব রটে, কিন্তু কোন কিছুই তার স্বপ্নকে থামিয়ে রাখতে পারেনি। বর্তমানে তিনি হলিউডের একজন খ্যাতিমান মেকাপ আর্টিস্ট। হলিউডের বিখ্যাত তারকাদের মেকাপ করেন তিনি, যাদের মধ্যে রয়েছেন- কিম কারদাশিয়ান, ডেমি লোভাটো, আরিয়ানা গ্র্যান্ডে, ক্রিসি টেগেইন, এমিলি রাতাজকোভস্কি এবং কেট বসওয়ার্থ। বর্তমানে তিনি বিখ্যাত হলিউড তারকা কিম কারদাশিয়ানের নিজস্ব মেকাপ আর্টিস্ট। তিনি ইনস্টাগ্রামের ১৮ জন প্রভাবশালীদের মধ্যে একজন, তার ইনস্টাগ্রামে 1 মিলিয়নেরও বেশি অনুসরণকারী রয়েছে। 

মারিও দিদিভানোভিক; Image Source : tvovermind.com

গুচি ওয়েস্টম্যানঃ

গুচি ওয়েস্টম্যান হলেন একজন আমেরিকান মেকআপ আর্টিস্ট, কসমেটিক ডিজাইনার এবং প্রসাধনী লাইন ওয়েস্টম্যান এটেলিয়ার প্রতিষ্ঠাতা। বর্তমানে তিনি হলিউডের একজন বিখ্যাত মেকাপ আর্টিস্ট। তিনি হলিউডের বিখ্যাত তারকাদের মেকাপ করেন যাদের মধ্যে রয়েছেন- ড্রিউ ব্যারিমোর, নাটালি পোর্টম্যান, গ্যাইনথ প্যাল্ট্রো এবং ক্যামেরন ডিয়াজ সহ আরও অনেক সেলিব্রিটিদের মেকআপ করে খ্যাতি অর্জন করেন। ইনস্টাগ্রামের ১৮ জন প্রভাবশালীদের মধ্যে তিনি একজন।

গুচি ওয়েস্টম্যান; Image Source : tushmagazine.com

ম্যাথিউ ভ্যানলিউউইনঃ 

মাত্র সাত বছর বয়সে মেকআপ নিয়ে খেলতে শুরু করেছিলেন ম্যাথিউ ভ্যানলিউউইন। নিজের ছোট বেলায় দেখা স্বপ্ন কে করেছেন বাস্তবায়িত। বর্তমানে তিনি হলিউডের একজন বিখ্যাত মেকআপ আর্টিস্ট। তিনি জেনিফার লোপেজ এবং স্কারলেট জোহানসনের মতো খ্যাতিমান তারকাদের সাথে কাজ করেছেন। ইনস্টাগ্রামের ১৮ জন প্রভাবশালীদের মধ্যে তিনি একজন। 

ম্যাথিউ ভ্যানলিউউইন; Image Source : Yahoo

বাধাবিপত্তি সর্ব ক্ষেত্রেই আছে তারপরও যদি কঠোর পরিশ্রম, একাগ্রতা, সঠিক পরিকল্পনা থাকে জীবনে সফল হওয়া সম্ভব। মেকাপের মাধ্যমেও যে শিল্পী সত্তা ফুটিয়ে তোলা যায় তারই প্রমান দিয়েছেন এসব মেকাপ আর্টিস্টরা, পার্লার ব্যবসার মাধ্যমে পৌঁছেছেন অনন্য উচ্চতায়। করেছেন নিজের এবং অন্যের কর্মসংস্থান। জীবনে বাধা আসলেও তা মোকাবেলা করে এগিয়ে গেছেন সামনে। বর্তমানে মেয়েরা যেমন সচেতন রুপ চর্চার বিষয়ে, সেরকম ছেলেরাও সচেতন, আর তাই বর্তমানে পার্লার ব্যবসা যথেষ্ট সাড়া ফেলতে সক্ষম হয়েছে। 

 

Sanjana Haque

BY:

[email protected]

Sanjana Haque Sheza is a content writer who work out for MarronVoid online news portal. Currently she is doing her BBA from Bangladesh University of Professionals in Accounting department....

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *